*আত্ম কথা……

ভাবনা গুলো ছড়িয়ে যাক সবার প্রাণে…

Category Archives: তামাশা

ইভটিজিং এর জনক !!!

ইভটিজিং!!! গত কয়েক বছরে আমাদের দেশে বহুল ব্যবহৃত শব্দ এমন কোন মিডিয়া বাদ যায় নাই যেখানে ইভ টিজিং নিয়ে কিঞ্ছিত কথা হয় নাই। এমনি কি বাংলা ব্লগ ও এর থেকে রেহাই পাই নি… অনেক তেনা পেছানো হয় অনেক কথার মার প্যাচ শুনতে হয় ইভ টিজিং নিয়ে। কিন্তু আমরা কয় জন জানি এই ইভটিজিং এর উৎপত্তি কোথা থেকে বা কেবা এর জনক । আসুন জেনে নিই এই এর পিছনের রহস্য !!!!

ইভ টিজিং এর প্রকৃত জনক অমিতাভ বচ্চন !!!
প্রমানিত ………………

অমিতাভ বচ্চনের ছবি দেখে বখাটেরা অনুপ্রানিত হয়ে ইভটিজিং করে যার কয়েক টা প্রমান তুলে ধরলাম,

১। গত কয়েক মাসে যত গুলো বখাটে কট খাইছে তাদের বেশির ভাগই অমিতাভ বচ্চন এর মত ড্রেসাপ।

২। ছবিতে অমিতাভ বচ্চন নায়িকাদের দেখলে শিস দেয় গান গায় যা বখাটের চরিত্র।

৩। অমিতাভ বচ্চন ছবিতে যেমন কোন কিছুকেই উপেক্ষা করে না বা নায়িকা ছাড়া আর কাউকে পাত্তা দেয় না ঠিক তেমনি ও বখাটেরা।

৪। অমিতাভ বচ্চনের অনেক ছবিতে দেখা যায় সে তার ফিউচার নিয়ে মোটেও চিন্তিত নয় বা এই কাজ করলে তার প্রভাব কি হবে যেই বিষয় সে এত চিন্তা করে না তার চিন্তা শুধু নায়িকাকে ঘিরে, যা বখাটের চরিত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট।

৫। বুড়া হওয়া সত্ত্বেও উনি ইভটিজিং ছাড়েন নাই …

আরো অনেক কারন আছে যা এখন মাথায় আসতেছে না…আপনাদের মাথায় আসলে দ্রুত জানান…এই অপরাধীর শাস্তি চাই…ইভটিজিং এর জনক…

তাই অনতিবিলম্বে আমিতাভ বচ্চন কে আমাদের দেশে এনে দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে বিচার কাজ সম্পন্ন করার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

Advertisements

বাংলা জোকস্‌

নারীর মন

নারীর মন স্বচ্ছ পানি মত,

আর পুরুষের মন মাল্টিফাংশন ঠিক মোবাইলের মত,

তাই পানিতে মোবাইল পড়ুক কিংবা মোবাইলে পানি পরুক মোবাইল টাই ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

ঝিঁ ঝিঁ পোকা

অন্ধকার রাত পার্কে বসে দুজন তরুন তরুনী।

মেয়েটি ছেলেটিকে বলছে এই শুনছ কেমন নীরবতা শুধু ঝিঁ ঝিঁ পোঁকার শব্দ ছাড়া আর

কোন কিছুই শোনা যাচ্ছে না,

ছেলেটি বলল ওটা ঝিঁ ঝিঁ পোকার শব্দ না আমার ঝিপারের শব্দ।

টিয়া পাখি

রহিম গিয়েছিল একটা কথা বলা টিয়া পাখি কেনার জন্য,

যে অনুযায়ী খুঁজে পেল একটা টিয়া পাখি, পাখি টা তাকে দেখে বলল “ লাল লাল লাল”

রহিম ভাবল আরে আমি তো লাল আন্ডারওয়ার পরেছি টিয়া টা জানল কি ভাবে। তাই সে পরের দিন কালো আন্ডারওয়ার পরে আবার পাখিটার সামনে আসলো , এবার পাখি টা তাকে দেখে বলল “কালো কালো কালো” সে ভাবল কি করা যায় । পরের দিন সে আন্ডারওয়ার চাড়াই আসল । এবার পাখি টা তাকে দেখে বলল “ ওভার কনফিডেন্ট ওভার কনফিডেন্ট ওভার কনফিডেন্ট”’

অর্থনীতি

ছাত্রঃ  অর্থনীতি পড়ে আমি কি ধনী হতে পারব?

শিক্ষকঃ না ।

ছাত্রঃ অর্থনীতি পড়ে আমি কি গরীব হতে পারব?

শিক্ষকঃ না ।

ছাত্রঃ অর্থনীতি পড়ে তাহলে আমি কি হতে পারব?

শিক্ষকঃ তুমি এখন কোন অবস্থায় আছ সেটা ব্যাখ্যা করতে পারবে ।

রোগী ও ডাক্তার

মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে একজন রোগী……
ডাক্তার সাহেব আমি আজ ছয় মাস যাবত বিছানায় ঘুমাতে পারি না। খাটের উপর শোবার পর মনে হয় খাটের নিচে কেউ লুকিয়ে আছে আবার নিচে গিয়ে ঘুমালে মনে হয় খাটের উপর কেউ শুয়ে আছে! এভাবে সারা রাত আমার কাটিয়ে দেতে হয়,একবার উপর…… আবার নিচে………।
সব কিছু শুনে ডাক্তার বললেন সমস্যা ভয়াবহ তবে চিকিৎসা যোগ্য। আপনাকে প্রতি মাসে চারবার করে টানা ছয় বছর এসে চিকিৎসা নিতে হবে এবং প্রতি সিটিং এর জন্য ১০০০ টাকা করে দিতে হবে।
এরপর  এক বছর পর রোগী সাথে ডাক্তারের দেখা ।
কী ব্যাপার ? আপনি সেই যে গেলেন আর আসলেন না কেন?
আপনি প্রতি সিটিং এর জন্য ১০০০ টাকা করে ছেয়েছিলেন কিন্তু আমি ৩০০ টাকা খরচ করে আমার সমাধান করে ফেলেছি।
ডাক্তার জানতে চাইলেন কিভাবে ?
রোগী বলল একটা করাত কিনে খাটের পাগুলা কেটে ফেলে দিয়েছি।

সূত্রঃ জোকস্‌ সমগ্র-আহসান হাবীব


মহারানী ক্লিওপেট্রার করোটি
মিসরের একটি পুরোন জিনিসের দোকানে এক পর্যটক ঢুকলেন।
 দোকানদার এগিয়ে এসে তাঁকে নানান জিনিস দেখাতে লাগল।
সামনের একটি শো-কেসে একটি নর করোটি দেখতে পেয়ে পর্যটক জিঞ্জেস করলেন ,
“এই করোটি কার?” “এটি মহারানী ক্লিওপেট্রার,” সবিনয়ে জানালো দোকানদার ।
 কিছুক্ষন বাদে ঘুরতে-ঘুরতে আর একটি খুলি চোখে পড়ল পর্যটকের।
আগেরটির চেযে এই করোটি আকারে সামান্য ছোট।
পর্যটক জিঞ্জেস করলেন , “এই করোটি কার?”
দোকান দার বলল “এটি মহারানী ক্লিওপেট্রার হুজুর তবে এটা তাঁর ছোটবেলার করোটি।

অর্থনীতিবিদকে বিয়ে

এক তরুণীর হঠাৎ কঠিন এক রোগ ধরা পড়ল। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা
বললেন,
‘আপনি আর বড়জোর ছয় মাস বাঁচবেন।’
বেচারী বিমর্ষ হয়ে বাড়ি ফিরল। তারপর কী ভেবে আবার সেই চিকিৎসককে ফোন
করে বলল,
‘কিন্তু আমি যে আরও অনেক দিন বাঁচতে চাই।’
চিকিৎসক কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,
‘আপনি একটা বিয়ে করুন।’
‘আপনি আমার সঙ্গে মশকরা করছেন!’
‘না না,’ চিকিৎসক বললেন,
‘আমার কথা শেষ হয়নি। আপনি একজন অর্থনীতিবিদকে বিয়ে করবেন।’
‘কেন?’
‘তার সঙ্গে থাকলে প্রতিটি দিনই আপনার অনেক বড় মনে হবে।
এবং অল্প সময়েই জীবনের ওপর বিরক্তি এসে যাবে।’
সূত্রঃ সংগ্রহীত