*আত্ম কথা……

ভাবনা গুলো ছড়িয়ে যাক সবার প্রাণে…

ঈদের টিপস


আসছে ইদুল ফিতর…
সেই জন্য কিছু ঈদি টিপস…
টিপস গুলো আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখছি  big_smile big_smile
পূর্ব  পরিকল্পানাঃ চাঁন রাতে সব কিছু গুছিয়ে রাখবেন যেমন পায়জামার ফিতা, টুপি ,‌ পাঞ্জাবী , সেভ করার প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র ইত্যাদি যা যা আপনাদের প্রতিদিন সকালে লাগে । আপনি যদি সকাল ঘুম থেকে উঠে দেখেন আপনার পাঞ্জাবীর ফিতা পাচ্ছেন না তা হলে আপনাকে পায়জামা ছাড়া মসজিদে যেতে হবে। কিছু ভাত পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন পান্তা ভাত হওয়ার জন্য।
কোথায় কোথায় যাবেন কি কি করবেনা আগ থেকে সব পরিকল্পনা নিয়ে রাখাবেন এতে করে আপনার সময় টা বাঁচবে ।

ঈদের দিনঃ খুব সকালে ঘুম থেকে উঠবেন যেন ফজর নামাজ টা যামাতের সহিত পড়বেন এতে করে সারাদিন আপনাকে ফ্রেশ ফ্রেশ লাগবে। ইচ্ছা করলে নামায পড়ে ৫- ১০ হাটবেন তারপর গোছল করে নিবেন ।
গোছল শেষ করে পান্তা ভাত খেয়ে নিবেন । কারন পান্তা ভাতে আছে প্রচুর পরিমানে ব্যকটেরিয়া যা আপনাকে সারা দিন সার্ভিস দিবে যেমন যত কিছু খান না কেন ঐ ব্যকটেরিয়া গুলা সব খতম করে ফেলবে এতে করে ঈদের দিন আপনার পেটে কোন সমস্যা হবে না । এরপর মিষ্টি জাতীয় কিছু খেয়ে মসজিদে যান। নামাজ শেষ করে কবর জেয়ারত করবেন।

ঈদের দিনে জানি খাওয়া দাওয়া বেশি হয় তাই খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে একটু সাবধান থাকবেন। তা না হলে আপনাকে ঈদ বাড়িতে শুয়ে কাটিয়ে দিতে হবে।
এই ব্যাপারে আমার সাজেশন হচ্ছে নিজের পকেটে স্যালাইন রাখবেন হাজমলা ও রাখতে পারেন এছাড়াও মুখে রুচি বাড়ানোর জন্য আমলকি কিনে রাখতে পারেন এসব কিছু যদি না পারেন বিকেলে অথবা সন্ধ্যায় দিকে দই খেয়ে নিতে পারেন কারন দই ও কিন্তু হজমে সাহায্য করে।
এই তো গেল খাওয়া দাওয়া……
এবার আসুক বেড়ানোর কথা।
সবার আগে উপর থেকে বেড়ানো শুরু করবেন অর্থাৎ যে খানে গেলে আপনি সালামী  পাবেন সেখান আগে যাবেন যে টাকা সালামী পাবেন সে টাকা জায়গা মত এপ্লাই করবেন যদি ওখান থেকে কিছু বাঁচাতে চান তাহলে টাকা গুলো কে ভাংতি করে নিবেন যেমন ১০ টাকা নতুন নোট। বিশেষ করে ছোট রা নতুন দেখলে পুরানো বড় নোট ও নিতে চায় না।
কাছাকাছি যে সব আত্নীয় স্বজন আছে তাদের বাড়িতে হেটে যাবেন এত করে বেশি খাবার ডাউনলোড করতে পারবেন। মিষ্টি জাতীয় খাদ্য থেকে জ্বাল খাদ্য কে বেশি পাইরোটি দিবেন ।
প্যন্ট শার্ট না পড়ে পাঞ্জাবী পায়জামা পড়ার চেষ্টা করবেন এতে করে শরীর হালকা মনে হবে এবং বেশি খাওয়ার ফলে পায়জামা ঢিলে করে পড়তে পারবেন।
ঈদের দিন খুশির দিন তাই খুশির চোটে নামায জেনো বাদ না যায় সে দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন, দোয়া কবুল হওয়ার চানচ্‌ আছে তাই আমার জন্য বেশি করে দোয়া করবেন । যারা সারা মাস কষ্ট করে রোজা রেখছে,  স্বাস্থ্য কমে গেছে বলে তারা চিন্তা করবেন না কারন তাদের ঈদের দিন তা ফিল আপ হয়ে যাবে।

আশা করি কাজে লাগব।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: